খাদ্য তালিকায় রাখা উচিৎ যে ১০টি খাবার

 প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অনেকেরই কিছু পছন্দের আইটেম থাকে। পছন্দের আইটেম গুলো বাছাই করা উচিৎ খাদ্য গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে। আসুন জেনে নেই এমন ১০টি খাবারে নাম যেগুলো প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা যেতে পারে-


ডিম:


অতিপরিচিত এ খাবারে উচ্চমাত্রার প্রোটিন রয়েছে। আরও রয়েছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ উপাদান, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সব ধরনের ডিমেই প্রোটিন বিদ্যমান। তবে সাদা ডিমে খাঁটি প্রোটিন পাওয়া যায়।

টক দই:


পাতলা এ টক দই খেতে সুস্বাদু। এই খাবারে ক্রিম মিশ্রিত থাকে। সহজে এটি তৈরি করা যায়। সাধারণ দই বাজার থেকে কিনে আনুন। স্বাদ বাড়ানোর জন্য এক চিমটি লবণ, আখরোট ও মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।

দুধ:


খনিজ ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি দুধে রয়েছে প্রোটিন। প্রতিদিন বিকালে এক গ্লাস দুধ আপনাকে দীর্ঘ সময় ক্ষুধামুক্ত রাখবে।

পনির:


ধীরগতির পরিপাকের জন্য ছানা জাতীয় এই খাবার রাতে খেতে পারেন। হজম প্রক্রিয়ায় সময় নেয় বলে দীর্ঘ সময় ক্ষুধা লাগে না। স্যান্ডউইচ, রোল ও সালাদে মিশিয়ে খেতে পারেন।

মুরগী:


মুরগীর বুকের অংশ উচ্চমাত্রায় প্রোটিন সমৃদ্ধ। তবে প্যাকেটজাত মাংস পরিহার করাই ভালো। মুরগী ভিটামিন ‘বি’র উৎস। কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমায়, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে এবং কোলেস্টেরলের এলডিএল’র মাত্রা কমায়।

মসুর ডাল:


প্রোটিনের ভালো এ উৎসে খনিজ উপাদান আঁশ, ফলেট, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, পটাশিয়াম ও ভিটামিন ‘বি’ রয়েছে। মসুর ডালে থাকা প্রোটিন হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে, হজমে সাহায্য করে ও রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ওটস:


কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ ওটস প্রোটিনের ভালো উৎস। সকালের নাশতা হিসেবে খেতে পারেন।

আলু:


প্রোটিন ছাড়াও আছে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। তবে সাধারণত উচ্চমাত্রার ক্যালরির উৎস হিসেবে আলু খাওয়া হয়ে থাকে।

বাদাম ও বীজ জাতীয় খাদ্য:


একমুঠি বাদাম যেমন; আখরোট, কাজুবাদাম, পেস্তাবাদাম প্রতিদিন বিকেলের নাশতা হিসেবে উপযুক্ত। এসব খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি ও ওজন কমানোর দাওয়াই হিসেবে কার্যকরী। প্রোটিন ছাড়াও রয়েছে উচ্চমাত্রার ক্যালরি।

Comments

Popular posts from this blog

হাজীগঞ্জ উপজেলা/Haziganj

কবুতরের খাবার

কবুতরের জীবনকাল, প্রজনন